
Birampur উপজেলায় সোনাপাচারকারীর কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া দুটি সোনার বার আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই কনস্টেবলকে প্রাথমিকভাবে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা হলেন Rasheduzzaman এবং Saiful Islam। তাদের মধ্যে একজন বিরামপুর থানার বেতার বার্তা অপারেটর এবং অন্যজন হাকিমপুর থানায় কর্মরত বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার সকালে Katla Union-এর দক্ষিণ রামচন্দ্রপুর এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জামিল হোসেন নামে এক ব্যক্তি বাইসাইকেলে করে যাওয়ার সময় সেখানে থাকা দুই কনস্টেবল তার গতিরোধ করেন। পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে জামিল পালানোর চেষ্টা করেন।
এ সময় তার কাছে থাকা সাতটি সোনার বারের মধ্যে পাঁচটি কৌশলে পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে পুলিশ সদস্যরা তাকে আটক করে তল্লাশির সময় দুটি সোনার বার উদ্ধার করেন। তবে সেই সোনার বার নিয়ে পরবর্তীতে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার বিষয়টি জানাজানি হলে পরদিন বিরামপুর-নবাবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার Harez Uddin-সহ পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকেও তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
স্থানীয় এক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ঘটনার দিন বিরামপুর থানার এক পুলিশ সদস্যের মোটরসাইকেলে আরেক ব্যক্তি ঘটনাস্থলে এসেছিলেন। তার দাবি, সোনার বারের বাহক জামিলের সঙ্গে অন্য একজনও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ ও Border Guard Bangladesh সূত্রে জানা গেছে, বিরামপুর সীমান্ত এলাকা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সোনা পাচারের ঘটনা ঘটে আসছে। এর আগে স্থানীয় কাটলা বাজার এলাকা থেকেও একাধিকবার সোনার বার উদ্ধার করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে Saiful Islam Sarkar জানান, ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
অন্যদিকে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার Harez Uddin বলেন, সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।