
মানুষ যতই পাপ করুক না কেন, মহান আল্লাহ তায়ালার রহমতের দরজা সবসময় খোলা থাকে। বান্দা যখন আন্তরিকভাবে নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করে, তখন আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন এবং রহমত ও মাগফিরাত দান করেন।
ইসলামে ইস্তিগফারের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উত্তম ও মর্যাদাপূর্ণ দোয়া হলো ‘সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার’। এটি ইস্তিগফারের শ্রেষ্ঠ দোয়া হিসেবে পরিচিত।
নতা রাব্বি লা ইলাহা ইল্লা আনতা, খালাকতানি ওয়া আনা আবুদুকা, ওয়া আনা আলা আহদিকা ওয়া ওয়াদিকা মাসতাতাতু, আউজু বিকা মিন শাররি মা সানাতু, আবুুউ লাকা বিনিমাতিকা আলাইয়্যা, ওয়া আবুুউ লাকা বিজামবি ফাগফির লি, ফাইন্নাহু লা ইয়াগফিরুজ জুনুবা ইল্লা আনতা।
হে আল্লাহ, আপনি আমার রব। আপনি ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা। আমি আমার সাধ্যানুযায়ী আপনার অঙ্গীকার রক্ষা করার চেষ্টা করছি। আমি আমার কৃত মন্দ কাজ থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই। আপনার দেওয়া নেয়ামত স্বীকার করছি এবং আমার পাপও স্বীকার করছি। তাই আমাকে ক্ষমা করুন। আপনি ছাড়া কেউ পাপ ক্ষমা করতে পারে না।
হাদিসে এসেছে, Muhammad (সা.) বলেছেন—যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাস ও আন্তরিকতার সঙ্গে সকাল-সন্ধ্যায় এই দোয়া পাঠ করবে এবং সেই অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, সে জান্নাতিদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (Sahih al-Bukhari, হাদিস: ৬৩০৬)
ইসলামি শিক্ষায় নিয়মিত ইস্তিগফার পাঠকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসেবে গণ্য করা হয়। তাই প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার পাঠের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা একজন মুমিনের জন্য অত্যন্ত কল্যাণকর।