
দেশের কৃষকদের জন্য নতুন উদ্যোগ হিসেবে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির প্রি-পাইলট কার্যক্রম উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman। আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের দিন এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে Tangail Sadar, Tangail, Bangladesh-এর শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে। এদিন সকাল ১০টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছে Ministry of Information and Broadcasting (Bangladesh)।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে শনিবার (১১ এপ্রিল) জারি করা এক চিঠিতে জানানো হয়, এই ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি প্রথম পর্যায়ে দেশের ১০টি উপজেলায় একযোগে চালু করা হবে। এই প্রি-পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের একটি সমন্বিত ডাটাবেজ তৈরি এবং বিভিন্ন সরকারি সুবিধা সহজভাবে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
যেসব উপজেলায় প্রথম ধাপে এই কর্মসূচি চালু হচ্ছে, সেগুলো হলো— Shibganj Upazila, Bangladesh, Panchagarh Sadar Upazila, Bangladesh, Boda Upazila, Panchagarh, Bangladesh, Islampur Upazila, Jamalpur, Bangladesh, Shailkupa Upazila, Jhenaidah, Bangladesh, Nesarabad Upazila, Pirojpur, Bangladesh, Juri Upazila, Moulvibazar, Bangladesh, Cumilla Adarsha Sadar Upazila, Bangladesh, Goalanda Upazila, Rajbari, Bangladesh এবং Teknaf Upazila, Cox's Bazar, Bangladesh।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মাধ্যমে কৃষকদের বিভিন্ন ভর্তুকি, প্রণোদনা ও কৃষি-সহায়তা কার্যক্রমকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করা সম্ভব হবে। এর ফলে প্রকৃত কৃষকদের চিহ্নিত করে সরাসরি সুবিধা প্রদান করা সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কৃষি খাতে ডিজিটালাইজেশন ও তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে কৃষকদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানো এবং সরকারি সহায়তা দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি কার্যকর পদক্ষেপ হতে পারে।
পহেলা বৈশাখের মতো একটি জাতীয় উৎসবের দিনে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করায় কৃষকদের জন্য এটি একটি প্রতীকী গুরুত্বও বহন করছে। কৃষিনির্ভর দেশের অর্থনীতিতে কৃষকদের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
প্রাথমিকভাবে প্রি-পাইলট প্রকল্প হিসেবে চালু হলেও ভবিষ্যতে এটি দেশের সব উপজেলায় সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। মাঠ পর্যায়ে এর কার্যকারিতা যাচাই করে পরবর্তী ধাপে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও উন্নয়ন আনা হবে।
সব মিলিয়ে, ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি দেশের কৃষি খাতে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কৃষকদের সঠিকভাবে চিহ্নিতকরণ এবং তাদের জন্য সরকারি সহায়তা সহজলভ্য করার ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।