
নওগাঁর আত্রাইয়ে সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে একটি দুঃখজনক দুর্ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবল এমরান মিয়ার দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তিনি বাগেরহাট জেলার একজন কনস্টেবল। তার শ্বশুর বাড়ি আত্রাই উপজেলার তারাটিয়া গ্রামে।
আত্রাই থানার ওসি আব্দুল করিম জানান, এমরান মিয়া রাতে খুলনা থেকে সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে করে আত্রাইয়ে শ্বশুরবাড়িতে আসছিলেন। ট্রেনটি সকাল ৭টার দিকে আত্রাই রেলস্টেশনে পৌঁছালে কিছুটা গতি কমায়। ট্রেনের চলাচলের সময় তিনি লাফ দিয়ে নামার চেষ্টা করেন। কিন্তু লাফের সময় চাকার নিচে পড়ে যান। এতে তার দুই পা হাঁটু থেকে কেটে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে শ্বশুরবাড়ির সহায়তায় এমরান মিয়াকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (রামেক) পাঠানো হয়। তবে তার গ্রামের ঠিকানা তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
ওসি আব্দুল করিম বলেন, "এমন ঘটনা খুবই দুঃখজনক। ট্রেনের চলন্ত অবস্থায় ওঠা বা নামা অত্যন্ত বিপজ্জনক। আমরা আশা করছি, চিকিৎসকেরা দ্রুত তাকে স্থিতিশীল অবস্থায় আনার চেষ্টা করবেন।"
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেকে বলেন, চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দেওয়ার চেষ্টা সাধারণত বিপজ্জনক এবং এটি সকলের জন্য সতর্কতার উদাহরণ হওয়া উচিত।
বাগেরহাট জেলার পুলিশ বিভাগ এ ঘটনায় তৎপর হয়ে আহত কনস্টেবলকে যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে। দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও ট্রেন যাত্রীর নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় রেলস্টেশন ও পুলিশ কর্তৃপক্ষ সচেতনতা বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংক্ষেপে, নওগাঁর আত্রাইয়ে ট্রেন থেকে লাফ দেয়ার সময় এমরান মিয়া গুরুতর আহত হয়েছেন। তার দুই পা হাঁটু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় তাকে রামেকে প্রেরণ করা হয়েছে। এই দুর্ঘটনা সাধারণ মানুষ ও ট্রেন যাত্রীদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে।