
সরকার ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে এসে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী Amir Khasru Mahmud Chowdhury। বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, দেশের অর্থনীতিকে টেকসইভাবে শক্তিশালী করতে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপরই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার টাকা ছাপিয়ে অর্থনীতি পরিচালনা করতে চায় না। বরং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করে উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোই প্রধান লক্ষ্য। তার মতে, বিনিয়োগ বাড়লে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাবে এবং এর ইতিবাচক প্রভাব রাজস্ব আদায়েও পড়বে।
তিনি আরও বলেন, দেশের জিডিপির আকার এবং কর-জিডিপি অনুপাত পরস্পরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। অর্থনীতিকে গতিশীল না করা গেলে কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানোও কঠিন হয়ে পড়ে। তাই অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা জরুরি।
আসন্ন বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রেও এই বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, এমন নীতিমালা গ্রহণ করা হবে যাতে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের বাজার ও অর্থনীতির ওপর আস্থা রাখতে পারেন।
একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত স্থিতিশীলতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। অর্থমন্ত্রীর ভাষায়, ঘন ঘন নীতিগত পরিবর্তন হলে বিনিয়োগকারীদের কাছে নেতিবাচক বার্তা যায়। তাই বিনিয়োগবান্ধব নীতি দীর্ঘ সময় ধরে বজায় রাখার ওপর জোর দেওয়া হবে।