
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ-এ বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন এবং তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভোর ৬টার দিকে তারা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতে তারা কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
এ সময় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়। রাষ্ট্রীয় এই আনুষ্ঠানিকতা স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্ব ও মর্যাদাকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে।
রাষ্ট্রপতির আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদনের পরপরই মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে একই স্থানে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সামরিক বাহিনীর প্রতিনিধিরা।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি ঢাকায় ফেরার পথে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলেও শ্রদ্ধা জানাবেন। এই কর্মসূচি সকাল ৭টার মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
এরপর দিনের পরবর্তী কর্মসূচি হিসেবে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত ‘কুচকাওয়াজ’ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। সেখানে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরা হবে।
স্বাধীনতা দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। ১৯৭১ সালের এই দিনে জাতি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করে। প্রতি বছর যথাযোগ্য মর্যাদায় এই দিনটি পালন করা হয় এবং জাতির বীর শহীদদের স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর এই শ্রদ্ধা নিবেদন সেই ধারাবাহিকতারই অংশ, যা জাতির আত্মত্যাগ ও স্বাধীনতার চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়।