প্রিন্ট এর তারিখঃ Feb 5, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Feb 3, 2026 ইং
কাইয়ুমের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে নাহিদ ইসলামের করা রিট খারিজ

দ্বৈত নাগরিকত্ব ও হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসনে ড. এম এ কাইয়ুমের অংশগ্রহণে আর কোনো আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।
মঙ্গলবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে সোমবার নাহিদ ইসলামের পক্ষে অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা ও অ্যাডভোকেট আলী আজগর শরীফী হাইকোর্টে রিট আবেদনটি দায়ের করেন। রিটে দাবি করা হয়, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুম তার নির্বাচনী হলফনামায় ভানুয়াতু দেশের নাগরিকত্ব থাকার তথ্য গোপন করেছেন।
রিট শুনানিকালে নাহিদ ইসলামের আইনজীবীরা আদালতে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ড. এম এ কাইয়ুমের ভানুয়াতুর পাসপোর্টের ছবি প্রকাশ পেয়েছে। এসব তথ্য থেকে প্রমাণিত হয় যে তিনি দ্বৈত নাগরিকত্বের অধিকারী, যা বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষেত্রে অযোগ্যতার শামিল।
আইনজীবীরা আরও বলেন, শুধু দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণই নয়, বিষয়টি নির্বাচনী হলফনামায় গোপন করাও একটি গুরুতর অপরাধ। এই দুটি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্রার্থিতা বাতিলের জন্য নাহিদ ইসলাম হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।
তবে শুনানি শেষে হাইকোর্ট রিটটি সরাসরি খারিজ করে দেন। আদালতের এ আদেশের ফলে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল থাকল বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।
উল্লেখ্য, এর আগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুম এবং ১২ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করা হয়েছিল।
আদালতের আদেশের পর আইনজীবীরা জানান, রিট খারিজ হওয়ায় ঢাকা-১১ আসনে ড. এম এ কাইয়ুমের নির্বাচনী কার্যক্রমে আর কোনো আইনগত বাধা রইল না এবং তিনি স্বাভাবিকভাবে নির্বাচনী প্রচার ও ভোটগ্রহণে অংশ নিতে পারবেন।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ দ্যা ডেইলি কসমিক পোষ্ট । বাংলা