
ফেব্রুয়ারি মাসে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়বে নাকি কমবে—এ বিষয়ে আজ সোমবার বিকেলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বিকেল ৩টায় রাজধানীর রমনার ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের শহীদ প্রকৌশলী ভবনের ষষ্ঠ তলায় অবস্থিত কমিশনের শুনানি কক্ষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন দর ঘোষণা করা হবে।
গতকাল রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বিইআরসি। এতে বলা হয়, সৌদি আরামকো কর্তৃক ঘোষিত ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মাসের সৌদি সিপি (Contract Price) অনুযায়ী দেশের ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি এলপিজির মূল্য সমন্বয় সংক্রান্ত আদেশ আজ ঘোষণা করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এলপিজির নতুন দর ঘোষণার পর সংশ্লিষ্ট আদেশ বিইআরসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। ভোক্তারা কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে নির্ধারিত মূল্য সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।
এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দেশে এলপিজির দাম বাড়ানো হয়েছিল। গত ৪ জানুয়ারি ১২ কেজি ওজনের একটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করে বিইআরসি। পাশাপাশি অটোগ্যাসের দামও সমন্বয় করা হয়।
জানুয়ারি মাসে অটোগ্যাসের মূল্য প্রতি লিটার ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা থেকে ২ টাকা ৪৮ পয়সা বাড়িয়ে ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। ফলে পরিবহন খাত ও সাধারণ ভোক্তাদের ব্যয় কিছুটা বেড়ে যায়।
এলপিজির দাম সাধারণত আন্তর্জাতিক বাজারে সৌদি আরামকোর ঘোষিত সিপির সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতি মাসে নির্ধারণ করে থাকে বিইআরসি। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য ওঠানামার প্রভাব সরাসরি দেশের ভোক্তা পর্যায়ের দামে প্রতিফলিত হয়।
জ্বালানি খাতে মূল্য সমন্বয় নিয়ে সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে আগ্রহ ও উদ্বেগ দুইই থাকে। বিশেষ করে রান্নার গ্যাস হিসেবে এলপিজির ওপর নির্ভরশীল নগর ও আধা-নগর এলাকার মানুষের জন্য এই দাম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আজকের ঘোষণার মাধ্যমে ফেব্রুয়ারি মাসে এলপিজি ব্যবহারকারীদের ব্যয় কতটা বাড়বে বা কমবে—তা স্পষ্ট হবে।