
মালয়েশিয়া ও চীনে রাষ্ট্রীয় সফর সফলভাবে শেষ করে বাংলাদেশে ফেরার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) চীনের বেইজিং তাসিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে তিনি ও তার সফরসঙ্গীরা ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।
প্রধানমন্ত্রীর বিদায়ের সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন চীনা প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত ইউ শিয়াওয়ং। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানান এবং দুই দেশের বিদ্যমান কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া ও চীনে একাধিক রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। এসব কর্মসূচিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
চীনে অবস্থানকালে তিনি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘তিয়াওইউথাই’-এ অবস্থান করেন। শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে সেখান থেকে সফরসঙ্গীদের নিয়ে বেইজিং তাসিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকেল ৫টায় তার বহনকারী বিমানটি ঢাকার উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে।
বেইজিং থেকে ঢাকা পর্যন্ত সরাসরি ফ্লাইটের যাত্রাসময় সাধারণত প্রায় পাঁচ ঘণ্টা। সেই হিসাবে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টার দিকে অথবা এর কিছু পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজধানী ঢাকায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ও চীনের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। বিভিন্ন পর্যায়ের বৈঠক ও আলোচনা ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলেও আশা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়া ও চীন সফরের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটছে। সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা, এই সফরে হওয়া আলোচনা ও সমঝোতাগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, প্রযুক্তি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতে দুই দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।