
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা রেলওয়ে স্টেশনে কর্তব্যরত স্টেশন মাস্টার সফিকুল রহমানের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। রোববার সকালে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় ঢাকা–চট্টগ্রাম রেলপথে প্রায় এক ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে, ফলে যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ সুমন নামে এক যুবককে আটক করেছে। তিনি কসবা উপজেলার গোবিনাথপুর ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের রৌশন মিয়ার ছেলে। স্থানীয়ভাবে তিনি ব্রাজিল সমর্থক হিসেবে পরিচিত।
প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, নোয়াখালী থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর ‘উপকূল এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ইঞ্জিনে মাছের পোনা বহনকারী এক ব্যক্তির কাছ থেকে ১০০ টাকা নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এই বিষয়টি নিয়ে স্টেশন মাস্টারের সঙ্গে অভিযুক্ত যুবকের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা উত্তেজনায় রূপ নেয় এবং স্টেশন মাস্টারের ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলার সময় স্টেশন মাস্টারের অফিসের টেলিফোন, সিগন্যালিং যন্ত্রাংশসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম ভাঙচুর করা হয় বলে জানা গেছে। এতে স্টেশনের কার্যক্রম সাময়িকভাবে ব্যাহত হয় এবং রেল যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটে।
খবর পেয়ে আখাউড়া রেলওয়ে থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং হামলাকারীকে আটক করে। আহত স্টেশন মাস্টারকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।
রেলওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার প্রকৃত কারণ ও বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে। রেলপথে এমন হামলার ঘটনায় স্থানীয়ভাবে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে এবং নিরাপত্তা জোরদারের দাবি উঠেছে।