বাংলাদেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠী আকিজ রিসোর্সের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আকিজ এসেনশিয়ালস তৃতীয়বারের মতো অংশ নিয়েছে আন্তর্জাতিক খাদ্য ও পানীয় পণ্যের প্রদর্শনী ‘গালফ ফুড ফেয়ারে’। পাঁচ দিনব্যাপী এই মেলা সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দুবাই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ও দুবাই এক্সিবিশন সেন্টারে শুরু হয়েছে।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খাদ্যপণ্য প্রদর্শনী হিসেবে পরিচিত গালফ ফুড ফেয়ারে চলতি বছর বিশ্বের ১৯৫টি দেশের প্রায় সাড়ে ৮ হাজার প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে। আন্তর্জাতিক এই প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন দেশের খাদ্য ও ভোগ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করছে।
আকিজ এসেনশিয়ালস এবারের গালফ ফুড ফেয়ারে শতাধিক পণ্য নিয়ে অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের মসলা, অ্যারোমেটিক চাল, আটা, ময়দা, সুজি, শর্ষের তেল, স্ন্যাকস, আচার, টোস্ট, ড্রাই কেক, কুকিজ, লাচ্ছা সেমাই, মুড়ি, চিড়া এবং অন্যান্য ভোগ্যপণ্য। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
আকিজ এসেনশিয়ালস লিমিটেডের হেড অব এক্সপোর্ট মো. আহমেদুল কবির বলেন, গালফ ফুড ফেয়ারের মতো আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিশ্ববাজারে আকিজ এসেনশিয়ালসের পরিচিতি আরও বিস্তৃত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তাঁর ভাষায়, “এই মেলার মাধ্যমে আমরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রেতা, পরিবেশক ও আমদানিকারকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করতে চাই। নতুন ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তুলে রপ্তানি আদেশ বাড়ানোই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
তিনি আরও জানান, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশি খাদ্যপণ্যের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। সে সুযোগ কাজে লাগাতে আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বর্তমানে আকিজ এসেনশিয়ালসের পণ্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, গ্রিস, পর্তুগাল, ফ্রান্স, বুলগেরিয়া, সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইন, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারতসহ মোট ২০টি দেশে নিয়মিতভাবে রপ্তানি হচ্ছে। ভবিষ্যতে নতুন বাজারে প্রবেশের পাশাপাশি বিদ্যমান বাজারে রপ্তানির পরিমাণ আরও বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
গালফ ফুড ফেয়ারে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়বে এবং বাংলাদেশি খাদ্যপণ্যের বিশ্ববাজারে অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আকিজ এসেনশিয়ালস কর্তৃপক্ষ।
কসমিক ডেস্ক