Sirajganj জেলার তাড়াশ উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে জব্দ করা পেট্রোল ‘গায়েব’ হওয়ার অভিযোগ ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট Nusrat Jahan-এর বিরুদ্ধে।
তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জব্দ করা পেট্রোল বিক্রির টাকা ইতোমধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সরেজমিনে তদন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট Nur Nahar Begum স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এদিকে, প্রত্যক্ষদর্শী দাবি করে Md. Morsalin Khan নামে এক যুবক জেলা প্রশাসক Md. Aminul Islam বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জব্দ করা দুই ড্রাম পেট্রোলের একটি বিক্রি করা হলেও অন্যটি ‘গায়েব’ করা হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৭ মার্চ) তাড়াশের বিনসাড়া বাজারে একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ৩৯৫ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয় এবং জরিমানা আদায় করা হয়। পরে জব্দকৃত পেট্রোল খালকুলা সমবায় ফিলিং স্টেশনে নিয়ে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়।
ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীদের দাবি, প্রায় ২৫০ লিটার পেট্রোল বিক্রি করা হয়েছে এবং বাকি অংশ ইউএনও নিয়ে গেছেন। তবে অন্য একটি ফিলিং স্টেশনের কর্মীরা এ ধরনের কোনো লেনদেনের কথা অস্বীকার করেছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন জব্দকৃত পেট্রোল সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে বাধা দেন এবং পুরো পেট্রোল বিক্রির দাবি জানান। এ সময় কথোপকথনের একটি ভিডিও ধারণ করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
তবে ইউএনও Nusrat Jahan দাবি করেন, অতিরিক্ত দামে বিক্রির অপরাধে পেট্রোল জব্দ করা হয় এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় খালকুলা সমবায় ফিলিং স্টেশন থেকে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। তিনি জানান, বিক্রির অর্থ রোববার সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক Md. Aminul Islam বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।
কসমিক ডেস্ক