যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মূলত কী চুক্তি হয়েছে—জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মূলত কী চুক্তি হয়েছে—জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jun 21, 2026 ইং
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মূলত কী চুক্তি হয়েছে—জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ছবির ক্যাপশন:

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানে হওয়া প্রাথমিক সমঝোতার অংশ হিসেবে কাতারে আটকে থাকা ইরানের ৬ বিলিয়ন ডলার ফেরত দেওয়া হবে বলে দাবি করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান। এ তথ্য ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজের বরাতে প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, চলমান সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) প্রায় সব শর্তই ইরানের অনুকূলে রয়েছে এবং আলোচনার ফলাফল খুব শিগগিরই স্পষ্ট হয়ে উঠবে। তার দাবি অনুযায়ী, কাতারে আটকে থাকা অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়টি এই সমঝোতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সময়ে ইরানের ওপর আরোপিত বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আলোচনায় কিছু শর্ত ইরানের অধিকার হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে।

ইরানের দীর্ঘদিনের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চলমান আন্তর্জাতিক আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে পেজেশকিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মূল দাবি ছিল ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করে। তবে ইরান বহুবার স্পষ্ট করেছে যে তারা কখনোই পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে চায় না।

তার ভাষায়, “আমেরিকার একমাত্র দাবি ছিল আমরা যেন পারমাণবিক বোমা না রাখি। আমাদের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বহুবার বলেছেন, আমরা পারমাণবিক অস্ত্র চাই না।”

তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই অবস্থান লিখিতভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং উভয় পক্ষই এতে সম্মত হয়েছে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট একই সঙ্গে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে নিয়ে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, সুইজারল্যান্ডে চলমান আলোচনায় সবচেয়ে অসন্তুষ্ট ব্যক্তি হবেন নেতানিয়াহু, কারণ এই সমঝোতা আঞ্চলিক শক্তি ভারসাম্যে পরিবর্তন আনতে পারে।

আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী আগামী ৬০ দিনের মধ্যে পারমাণবিক কর্মসূচি, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে বিস্তারিত আলোচনা চলবে।

তবে এখনো চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতপার্থক্য রয়ে গেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। বিশেষ করে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে আলোচনা জটিল পর্যায়ে রয়েছে।

সব মিলিয়ে, কাতারে আটকে থাকা ইরানের অর্থ ফেরত পাওয়া এবং পারমাণবিক ইস্যুতে অগ্রগতি—এই দুই বিষয়কে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন মোড় নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
হাদির শেখানো মন্ত্রে উজ্জীবিত হবে বাংলাদেশ: প্রধান উপদেষ্টা

হাদির শেখানো মন্ত্রে উজ্জীবিত হবে বাংলাদেশ: প্রধান উপদেষ্টা